ডেঙ্গু কী?
ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ। ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি ধরন (DENV-1, 2, 3, 4) আছে। একটি ধরনে আক্রান্ত হলে সেই ধরনের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা তৈরি হয়, কিন্তু অন্য ধরনে আবার আক্রান্ত হওয়া সম্ভব।
ডেঙ্গু কী, কীভাবে ছড়ায়, রোগের ধাপগুলো কী এবং কেন প্রতিরোধই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—WHO ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী।

উৎস: WHO, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (DGHS), IEDCR ও সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান • সর্বশেষ পর্যালোচনা: সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ। ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি ধরন (DENV-1, 2, 3, 4) আছে। একটি ধরনে আক্রান্ত হলে সেই ধরনের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা তৈরি হয়, কিন্তু অন্য ধরনে আবার আক্রান্ত হওয়া সম্ভব।
সংক্রমিত স্ত্রী এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়। সাধারণ যোগাযোগ, হাঁচি-কাশি বা একসঙ্গে খাওয়ায় মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় না। তবে আক্রান্ত ব্যক্তিকে এডিস মশা কামড়ালে সেই মশা অন্যদের সংক্রমিত করতে পারে—তাই রোগীকেও মশারির নিচে রাখা জরুরি।
সংক্রমিত মশা কামড়ানোর সাধারণত ৪–১০ দিনের মধ্যে লক্ষণ শুরু হয় এবং জ্বর সাধারণত ২–৭ দিন থাকে। অনেকের কোনো লক্ষণই থাকে না বা খুব মৃদু লক্ষণ থাকে।
চিকিৎসকেরা ডেঙ্গুকে সাধারণত তিন ধাপে দেখেন:
অল্প কিছু ক্ষেত্রে রক্তনালি থেকে তরল বের হয়ে যাওয়া (প্লাজমা লিকেজ), শক, রক্তপাত বা অঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। দ্বিতীয়বার অন্য ধরনে আক্রান্ত হলে গুরুতর ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়ে। সময়মতো হাসপাতালে চিকিৎসা নিলে মৃত্যুঝুঁকি অনেক কমে।
যে কেউ আক্রান্ত হতে পারেন। বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন:
ডেঙ্গুর নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই। চিকিৎসা মূলত তরল ব্যবস্থাপনা, জ্বর-ব্যথা নিয়ন্ত্রণ ও সতর্কতার লক্ষণ পর্যবেক্ষণ। অ্যান্টিবায়োটিক ডেঙ্গু ভাইরাসে কাজ করে না।
WHO উচ্চ সংক্রমণ এলাকায় নির্দিষ্ট বয়সীদের জন্য ডেঙ্গু টিকা (TAK-003) ব্যবহারের সুপারিশ করেছে। বাংলাদেশের সরকারি টিকাদান কর্মসূচিতে এটি এখনো অন্তর্ভুক্ত নয়। টিকা সম্পর্কে সিদ্ধান্তের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্রতিরোধের প্রধান উপায় এখনো মশা নিয়ন্ত্রণ।
আজই ১০ মিনিট সময় দিয়ে বাড়ির ভেতর ও বাইরে জমা পানি পরীক্ষা করুন।