মূল কনটেন্টে যান
রোগীর যত্ন

বাড়িতে ডেঙ্গু রোগীর পরিচর্যা

চিকিৎসক বাড়িতে থেকে চিকিৎসার পরামর্শ দিলে যেভাবে যত্ন নেবেন এবং কখন হাসপাতালে যেতে হবে।

যাচাইকৃত তথ্য • Informational

উৎস: WHO, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (DGHS), IEDCR ও সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান • সর্বশেষ পর্যালোচনা: সেপ্টেম্বর ২০২৬

এটি চিকিৎসকের বিকল্প নয়

অবিলম্বে হাসপাতালে নিন যদি

তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, রক্তপাত, শ্বাসকষ্ট, অস্থিরতা, ঠান্ডা হাত-পা বা ৪–৬ ঘণ্টা প্রস্রাব না হয়। গর্ভবতী নারী, শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগীদের শুরু থেকেই চিকিৎসকের নিবিড় তত্ত্বাবধানে রাখুন।

01

পর্যাপ্ত তরল

পানিশূন্যতা প্রতিরোধই মূল যত্ন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দিনে পর্যাপ্ত তরল দিন:

  • খাবার স্যালাইন (ORS)
  • ডাবের পানি, ফলের রস
  • স্যুপ, ভাতের মাড়, দুধ
  • বিশুদ্ধ পানি
02

জ্বর ও ব্যথা

শুধু প্যারাসিটামল ব্যবহার করুন, চিকিৎসকের দেওয়া মাত্রায়। অতিরিক্ত প্যারাসিটামল লিভারের ক্ষতি করতে পারে। কুসুম গরম পানিতে শরীর মুছে দিন।

03

যে ওষুধ এড়াবেন

রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ায় বলে এড়িয়ে চলুন:

  • অ্যাসপিরিন
  • আইবুপ্রোফেন, ডাইক্লোফেনাক, ন্যাপ্রোক্সেনসহ NSAID
  • মাংসপেশিতে ব্যথানাশক ইনজেকশন
  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বা স্টেরয়েড
04

বিশ্রাম ও খাবার

পূর্ণ বিশ্রাম নিন। সহজপাচ্য স্বাভাবিক খাবার খান। লাল/কালো রঙের খাবার-পানীয় এড়ালে বমি বা মলে রক্ত চিনতে সুবিধা হয়।

05

প্রতিদিন পর্যবেক্ষণ

একটি খাতায় লিখে রাখুন:

  • জ্বর কত (দিনে কয়েকবার)
  • কতটুকু তরল খেয়েছেন
  • কতবার প্রস্রাব হয়েছে
  • কোনো সতর্কতার লক্ষণ আছে কি না
  • চিকিৎসক বললে CBC/প্লাটিলেট রিপোর্ট
06

অন্যদের সুরক্ষা

রোগী দিন-রাত মশারির ভেতরে থাকবেন। রোগীকে কামড়ানো মশা পরিবারের অন্যদের সংক্রমিত করতে পারে।

যোগাযোগ ও সহায়তা

নম্বরে ট্যাপ করলে সরাসরি কল হবে। যাওয়ার আগে ফোনে সেবা নিশ্চিত করুন।

প্রতিরোধই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

আজই ১০ মিনিট সময় দিয়ে বাড়ির ভেতর ও বাইরে জমা পানি পরীক্ষা করুন।

প্রতিরোধ গাইড
জরুরিসহকারীপ্রতিরোধ