চেনার উপায়
কালো শরীরে ও পায়ে সাদা ডোরাকাটা দাগ। এডিস ইজিপ্টাইয়ের পিঠে বীণার (লায়ার) মতো সাদা নকশা থাকে।
এডিস ইজিপ্টাই (প্রধান বাহক) ও এডিস অ্যালবোপিক্টাস—তাদের আচরণ ও প্রজননস্থল বুঝলে প্রতিরোধ সহজ হয়।

উৎস: WHO, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (DGHS), IEDCR ও সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান • সর্বশেষ পর্যালোচনা: সেপ্টেম্বর ২০২৬
কালো শরীরে ও পায়ে সাদা ডোরাকাটা দাগ। এডিস ইজিপ্টাইয়ের পিঠে বীণার (লায়ার) মতো সাদা নকশা থাকে।
সাধারণত সূর্যোদয়ের পর কয়েক ঘণ্টা ও সূর্যাস্তের আগে বেশি সক্রিয়; তবে ঘরের ভেতরে দিনের যেকোনো সময় কামড়াতে পারে।
ডিম তৈরির জন্য স্ত্রী মশার রক্ত প্রয়োজন। একবার ভাইরাসে সংক্রমিত হলে মশাটি সারাজীবন ভাইরাস ছড়াতে পারে।
মানুষের তৈরি পাত্রে জমে থাকা অপেক্ষাকৃত পরিষ্কার পানি এর প্রিয় জায়গা—ড্রেনের নোংরা পানির চেয়েও বেশি।
পাত্রের শুকনো দেয়ালে ডিম কয়েক মাস টিকে থাকতে পারে; পানি পেলেই ফুটে যায়। তাই পাত্র ঘষে পরিষ্কার করা জরুরি।
ডিম → লার্ভা → পিউপা → পূর্ণাঙ্গ মশা। অনুকূল তাপমাত্রায় পুরো চক্র প্রায় ৭–১০ দিনে সম্পন্ন হয়।
এডিস মশা সাধারণত জন্মস্থানের কয়েকশ মিটারের মধ্যেই থাকে—তাই আপনার বাড়ির আশেপাশের প্রজননস্থলই আপনার ঝুঁকি।
আজই ১০ মিনিট সময় দিয়ে বাড়ির ভেতর ও বাইরে জমা পানি পরীক্ষা করুন।