প্লাটিলেট নিয়ে আতঙ্ক নয়
প্লাটিলেট কমে যাওয়া ডেঙ্গুতে সাধারণ এবং সেরে ওঠার সঙ্গে সাধারণত নিজে থেকেই বাড়ে। শুধু সংখ্যা দেখে প্লাটিলেট দেওয়া হয় না—রক্তপাত বা চিকিৎসকের মূল্যায়ন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত হয়।
বেশিরভাগ ডেঙ্গু রোগীর রক্ত বা প্লাটিলেট লাগে না। শুধু চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে দেওয়া হয়।

উৎস: WHO, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (DGHS), IEDCR ও সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান • সর্বশেষ পর্যালোচনা: সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্লাটিলেট কমে যাওয়া ডেঙ্গুতে সাধারণ এবং সেরে ওঠার সঙ্গে সাধারণত নিজে থেকেই বাড়ে। শুধু সংখ্যা দেখে প্লাটিলেট দেওয়া হয় না—রক্তপাত বা চিকিৎসকের মূল্যায়ন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত হয়।
চিকিৎসকের লিখিত রিকুইজিশন নিয়ে হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক/ট্রান্সফিউশন বিভাগে যোগাযোগ করুন। ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ব্লাড ব্যাংক আছে।
শুধু স্ক্রিনিং করা (HIV, হেপাটাইটিস B/C, সিফিলিস, ম্যালেরিয়া) রক্ত নিন। অপরিচিত দালাল বা অর্থের বিনিময়ে রক্ত নেবেন না।
১৮–৬০ বছর বয়সী, ৫০ কেজির বেশি ওজনের সুস্থ ব্যক্তি সাধারণত প্রতি ৪ মাসে রক্ত দিতে পারেন। ডেঙ্গু থেকে সেরে ওঠার পর রক্তদানের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সন্ধানী ও কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের মতো সংগঠন স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রম পরিচালনা করে। খুলনা শাখার যোগাযোগ তথ্য যাচাই চলছে—তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখুন: bdrcs.org, blood.quantummethod.org.bd।
নম্বরে ট্যাপ করলে সরাসরি কল হবে। যাওয়ার আগে ফোনে সেবা নিশ্চিত করুন।
সরকারি জেলা হাসপাতাল — বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ, ল্যাবরেটরি ও ব্লাড ব্যাংক
বিভাগের প্রধান সরকারি রেফারেল হাসপাতাল — গুরুতর রোগীর চিকিৎসা
আজই ১০ মিনিট সময় দিয়ে বাড়ির ভেতর ও বাইরে জমা পানি পরীক্ষা করুন।